জ্যামিতির বেসিক ট্রিকস

 জ্যামিতির কতিপয় ধারনা (৬ষ্ঠ - ১০ম শ্রেণি)

গণিত জব প্রস্তুতি,বীজগণিত জব প্রস্তুতি,পাটিগণিত জব প্রস্তুতি ,প্রাইমারি জব প্রস্তুতি,নিবন্ধন প্রস্তুতি,জ্যামিতি জব প্রস্তুতি,প্রাইমারি জব প্রস্তুতি,নিবন্ধন প্রস্তুতি


তথ্য কণিকা(Information) 

১. প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার ব্যবহারিক ক্ষেত্রে জ্যামিতি চর্চার প্রমাণ পাওয়া যায়।

২.  ইউক্লিড তাঁর গ্রস্থ ‘Elements'-এ ৪৬৫ টি প্রতিজ্ঞার প্রমাণ দিয়েছেন।

৩. ইউক্লিড জ্যামিতির বিক্ষিপ্ত সূত্রগুলোকে (ইলিমেন্ট গ্রন্থে) সুবিন্যস্ত করেন । 

৪. জ্যামিতিক প্রতিজ্ঞার প্রথম ধাপ সাধারণ নির্বচন ।

৫. জ্যামিতিতে চিত্র অঙ্কনের প্রস্তাবনাকে সম্পাদ্য বলে ।

৬. বিন্দুর কোন মাত্রা নেই, তাই বিন্দুকে মাত্রাহীন বলা হয়।

৭. যে সকল প্রতিজ্ঞা জ্যামিতিতে প্রমাণ করা হয় তাকে উপপাদ্য বলে । পীথাগোরাস বিজ্ঞানী সমকোণী ত্রিভূজের সূত্রটি উদ্ভাবন করেছেন ।

৮. ইউক্লিডের জ্যামিতি বিষয়ক গ্রন্থ “ Elements”- (একটি আধুনিক জ্যামিতির ভিত্তি) ১৩ খন্ডে বিভক্ত।

১০. জ্যামিতিক প্রতিজ্ঞার বর্ণনায় সর্বশেষ ধাপ প্ৰমাণ ।

১১. কোনো তত্ত্বের উক্তি যৌক্তিকভাবে প্রমাণ করাকে উপপাদ্য বলে

১২. তলের মাত্রা ২টি।

১৩. দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, এবং উচ্চতাকে মাত্রা বলে।

১৪. বিন্দুর মাত্রা হল শূণ্য।

১৫. প্রত্যেক গোলাকার বস্তু ত্রিমাত্রিক।

১৬. একটি ক্রিকেট বলের তিনটি মাত্রা আছে।

১৭. কোন ত্রিভূজের মধ্যমাত্রয়ের ছেদ বিন্দুর নাম হলো: ভরকেন্দ্র।

১৮. কোন ত্রিভূজের মধ্যমাগুলির যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে ভরকেন্দ্র বলে । 

১৯. কোণগুলির সমদ্বিখন্ডক যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অন্তঃকেন্দ্র বলে ।

২০. বাহুগুলির সমদ্বিখনক যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে পরিকেন্দ্র বলে ।

২১. তলের প্রান্ত হলো রেখা ।

২২. বিন্দুর অবস্থান আছে কিন্তু কোন দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা নেই তাই বিন্দুর মাত্রা শূণ্য ।

২৩. জ্যামিতিক উপপাদ্য প্রমাণে সাধারণত ৪ টি ধাপ থাকে সেগুলো হলো :

  • (ক) সাধারণ নির্বচন ।
  • (খ) চিত্র ও বিশেষ নির্বচন ।
  • (গ) প্রয়োজনীয় অঙ্কনের বিবরণ।
  • (ঘ) প্রমাণ

২৪. 20° কোণের সম্পূরক কোণের অর্ধেক ৪০°

২৫. 90° অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে ।

২৬. দুটি কোণের সমষ্টি 90° হলে তাদের একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে ।

২৭. সূক্ষ্মকোণের পূরক কোন হলো- সূক্ষ্মকোণ ।

২৮. সমকোণী ত্রিভূজের একটি কোণের পরিমাপ 90°

২৯. সমবাহু ত্রিভূজের প্রতিটি কোণের মান 60°

৩০. প্রতিটি তলই দ্বিমাত্রিক।

৩১. কোন ঘনবস্তুর তলের মাত্রা হলো ২। 

৩২. একান্তর কোণগুলি পরস্পর সমান হয়। 

৩৩. 50° কোণের একান্তর কোণ হলো : 50°

৩৪. একটি সুষম ষড়ভূজের প্রতিটি শীর্ষ কোণের পরিমান হলো 120°

 ৩৫. একটি সুষম অষ্টভূজের প্রতিটি শীর্ষ কোণের পরিমান হলো 135° 

৩৬. সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের সূক্ষ্মকোণের পরিমান 45°

৩৭. সমবাহু ত্রিভূজের উভয় বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি 240°

৩৮. সমবাহু ত্রিভূজের যে কোন কোণের বহিঃস্থ কোণ 120°

৩৯. দুটি কোণের সমষ্টি 180 হলে, তাদের একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে। 

৪০. 120° কোণের সম্পূরক কোণ হলো : 60° 

৪১. 60° কোণের সম্পূরক কোণ হলো : 120° 

৪২. .35° কোণের বিপ্রতীপ কোণ হলো : 35° 

৪৩. 0° কোণের পূরক কোণ হলো : 90° 

88. 15° কোণের পূরক কোণ হলো : 75° 

৪৫. জ্যামিতি শব্দের অর্থ ভূমির পরিমাপ। 

৪৬. গোলক হলো ত্রিমাত্রিক বস্তু ।

৪৭. দুইটি তল পরস্পরকে ছেদ করলে রেখা উৎপন্ন হয়।

৪৮. দুইটি রেখা পরস্পরকে ছেদ করলে বিন্দু উৎপত্তি হয়।

৪৯. রেখার কোনো প্রান্ত বিন্দু নেই।

৫০. 60° কোণের বিপ্রতীপ কোণ 60°

৫১. সমকোণী ত্রিভূজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের যোগফল হলো 90°

৫২. যদি দুইটি কোণের একই শীর্ষবিন্দু হয় ও তাদের একটি সাধারণ বাহু থাকে ও কোণদ্বয় সাধারণ বাহুর বিপরীত পাশে অবস্থান করে তাকে সন্নিহিত কোণ বলে । 

৫৩. 90° কোণের পূরক কোণ হলো 0°

৫8.একটি ত্রিভূজের ৬ টি অংশ থাকে।

৫৫. কমপক্ষে ৩ টি শর্ত দেওয়া থাকলে ত্রিভূজ আঁকা সম্ভব।

৫৬. ৫ টি স্বতন্ত্র উপাত্ত থাকলে একটি চতুর্ভূজ আঁকা যায় ।

৫৭. দুইটি বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া থাকলে আয়তক্ষেত্রের প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ বলে এটি আঁকা সম্ভব।

৫৮. সমকোণী ত্রিভূজের অতিভূজ সংলগ্ন একটি কোণ40° হলে অপর কোণটি 50° 

৫৯. ত্রিভূজের তিনটি কোণের অনুপাত সমান হলে ত্রিভূজটি সমবাহু ত্রিভূজ ।

৬০. বর্গক্ষেত্রকে সুষম চতুর্ভূজ বলে।

৬১. কোন ত্রিভূজের একটি কোণ90° এর চেয়ে বড় হলে, ত্রিভূজটি হবে স্থুলকোণী ।

৬২. ভূমির বিপরীত কোণের মান 60°

৬৩. ৩ টি উপাত্ত দেওয়া থাকলে একটি সামান্তরিক আঁকা সম্ভব।

৬৪. ত্রিভূজের বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন কোণদ্বয় হলো সূক্ষ্মকোণ । 

৬৫. মধ্যমাত্রয় পরস্পর সমান হলে, ত্রিভূজটি সমবাহু হবে।

 ৬৬. বৃত্তে চতুর্ভূজ অন্তর্লিখিত হওয়ায় বৃত্তটি একটি পরিবৃত্ত । 

৬৭. একটি ত্রিভূজের বহিঃবৃত্ত আঁকলে বৃত্তটি ১ টি বাহুকে স্পর্শ করবে। 

৬৮. বৃত্তের একটি বিন্দুতে ১ টি স্পর্শক আঁকা যায়।

৬৯. বৃত্তের উপরস্থ যে কোন দুটি বিন্দু যোগ করলে যে রেখা পাওয়া যায় তাকে জ্যা বলে।

৭০. বৃত্তের কেন্দ্রগামী জ্যাকে ব্যাস বলে ।

৭১. সমতলে সমরেখ নয় এরূপ তিনটি বিন্দু দিয়ে ১ টি বৃত্ত গঠন করা যায়।

৭২. একটি বৃত্তকে উৎপন্ন করে।চারটি সমান চাপে বিভক্ত করা হলে প্রত্যেকটি চাপ 90° কোণ

৭৩. বৃত্তের কেন্দ্র এবং ব্যাসের ১ টি সাধারণ বিন্দু থাকে ।

৭৪. একটি বৃত্ত অঙ্কণের জন্য ৩ টি বিন্দুর প্রয়োজন হয় ।

৭৫. কোন বৃত্তের পরিধি থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দুরত্বকে ব্যাসার্ধ বলে ।

৭৬. একটি বৃত্তস্থ স্থুলকোণ বৃত্তে উপচাপ ছিন্ন করে।

৭৭. বৃত্তের কোনো চাপের উপর দন্ডয়মান বৃত্তস্থ কোণ 50° হলে কেন্দ্রস্থ কোণের মান 100°

৭৮. অর্ধবৃত্ত অপেক্ষা বড় চাপকে অধিচাপ বলে ।

৭৯. যে কোন বৃত্তের উপচাপে অন্তর্লিখিত কোণ স্থূলকোণ ৷

৮০. প্রত্যেক বৃত্তস্থ কোণ বৃত্তে তিনটি চাপ ছিন্ন করে ।

৮১. বৃত্তস্থ চতুর্ভূজর বিপরীত কোণগুলির সমষ্টি 180°

৮২. দুটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করলে তাদের স্পর্শবিন্দুতে ১ টি মাত্র স্পর্শক আঁকা যাবে।

৮৩. একটি বৃত্তের বহিঃস্থ কোনো বিন্দু থেকে উক্ত বৃত্তে সর্বাধিক দুটি স্পর্শক আঁকা যায়।

৮৪. বৃত্তের ভিতরে কোনো বিন্দু হতে বৃত্তে ০ টি স্পর্শক আঁকা যাবে।

৮৫. একটি বর্গে অর্ন্তলিখিত বৃত্তে চারটি স্পর্শক থাকে ।

৮৬. যে কোন ত্রিভূজের তিনটি বাহুতে তিনটি বর্হিবৃত্ত আঁকা যায় ।

৮৭. সমকোণী ত্রিভূজের পরিবৃত্ত আঁকলে তার কেন্দ্র অতিভূজের উপর অবস্থান করে । 

৮৮. বৃত্তের যে কোনো দুইটি বিন্দুর মধ্যের পরিধির অংশকে চাপ বলে।

৮৯. অর্ধবৃত্ত অপেক্ষা ছোট চাপকে উপচাপ বলে।

৯০. কোন বৃত্তের স্পর্শক ও স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যাসার্ধের মধ্যবর্তী কোণের পরিমান 90° 

৯১. অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রস্থ কোণ সরল কোণ ।

৯২. প্রত্যেক কেন্দ্ৰস্থ কোণ বৃত্তে দুটি উপচাপ ছিন্ন করে ।

 ৯৩. বৃত্তস্থ চতুর্ভূজের বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি 180 ° 

৯৪. কেন্দ্র থেকে সমদুরবর্তী সকল জ্যা পরস্পর সমান ।

 ৯৫. ব্যাসই বৃহত্তম জ্যা।

৯৬. যে কোন জ্যা এর লম্বদ্বিখন্ডক কেন্দ্রগামী

৯৭. ত্রিভূজের বহিঃস্থ কোণ বিপরীত অন্তঃস্থ যে কোন কোণের চেয়ে বড়। 

৯৮.ত্রিভূজের বহিঃস্থ কোন অন্তঃস্থ বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।

৯৯. বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ 

১০০. বৃত্তের কোন ব্যসার্ধের প্রান্ত বিন্দুতে অঙ্কিত লম্ব ঐবৃত্তের স্পর্শক।

১০১. দুটি বৃত্তের কেন্দ্রদ্বয় স্পর্শকের একই পার্শ্বে থাকলে তাকে সরল সাধরণ স্পর্শক বলে।

১০২. সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের অতিভূজের মধ্যবিন্দু ও সংযোজক রেখাংশ অতিভূজের অর্ধেক।

১০৩. বৃত্তের বক্ররেখার যে কোন অংশকে চাপ বলে ।বিপরীত শীর্ষের

১০৪. দুটি বৃত্ত বহিঃস্পর্শ করলে তাদের স্পর্শ বিন্দুতে একটি সরলসাধারণ স্পর্শক আঁকা যাবে ।

১০৫. বৃত্তের কোন চাপ দ্বারা উৎপন্ন কেন্দ্রস্থ কোণ ঐ বৃত্তের চাপের সমানুপাতিক ।

 ১০৬. সমতলে অবস্থিত একটি বৃত্ত ও একটি সরল রেখার সর্বাধিক দুটি ছেদবিন্দু থাকে

 ১০৭. বৃত্তের যে কোন বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক, স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যসার্ধের উপর লম্ব। 

১০৮. বৃত্তে অন্তর্লিখিত চতুর্ভূজের যে কোন দুটি বিপরীত কোণের সমষ্টি 180° 

১০৯. বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক। 

১১০. অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণ হলো সুক্ষ্মকোণ ।

১১১. যেসব বিন্দু দিয়ে বৃত্ত গমন করে সে গুলোকে সমবৃত্ত বিন্দু বলে।

 ১১২. অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ 90°

১১৩. বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা কে ব্যাস বলা হয়।

১১৪. দুটি ভিন্ন বিন্দু দিয়ে দুটি বৃত্ত আঁকা যায় ।

১১৫. বৃত্তের উপরস্থ যে কোন দুটি বিন্দুর সংযোগ রেখাকে জ্যা বলে।

 ১১৬. দুটি বৃত্ত পরস্পরকে সর্বোচ্চ ২টি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে।

১১৭. বৃত্তের কেন্দ্র হতে বৃহত্তম জ্যা এর লম্ব দূরত্ব শুন্য একক ।

১১৮. বৃত্তের পরিধি 2пr

১১৯. বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত 2 : 1

১২০. কোন বৃত্তের পরিধি, ব্যাসের IT গুণ

১২১. বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য S=(🛇/180)Xπr

১২২. সরল রেখার কোন সাধারণ বিন্দু নেই।

১২৩. কোন ত্রিভূজের তিনটি বর্হিবৃত্ত আঁকা যায়

১২৪. কোন বর্গের পরিবৃত্তের ব্যাস বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্যর সমান।

১২৫. কোনো বর্গের অন্তবৃত্তের ব্যাস বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান ।

১২৬. যে চতুর্ভূজের কেবল দুটি বাহু সমান্তরাল তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে।

১২৭. স্থূলকোণী ত্রিভূজের একটি কোণ স্থুলকোণ ।

১২৮. সমবাহু ত্রিভূজের প্রত্যেকটি কোণের পরিমান 60°

১২৯. চতুর্ভূজের চার কোণের সমষ্টি 360°

১৩০. সুক্ষ্মকোণের পরিমান 0° অপেক্ষা বেশি এবং 90° অপেক্ষা কম । 

১৩১. বৃত্তস্থ সামন্তরিক একটি আয়তক্ষেত্র।

১৩২. নির্দিষ্ট চতুর্ভূজ আঁকার ক্ষেত্রে ৫ টি স্বতন্ত্র উপাত্ত প্রয়োজন ।

 ১৩৩. রম্বসের পরিসীমা = ৪ X বাহুর দৈর্ঘ্য

১৩৪. সমকোণী ত্রিভূজের অতিভূজ সংলগ্ন কোণ দুটি সুক্ষ্মকোণ।

১৩৫. 'Elements' গ্রন্থের লেখক ইউক্লিড।

১৩৬. কোণ পরিমাপের একক ডিগ্রী। 

১৩৭. এক সরল কোণ সমান 180 °

 ১৩৮. ত্রিভূজের তিনকোণের সমষ্টি 180° 

১৩৯. ঘনবস্তুর বিস্তৃতি তিনদিকে হয়। 

১৪০. সর্বসম নির্দেশক চিহ্ন ≅

১৪১. শুন্যমাত্রার সত্ত্বা বলা হয় বিন্দুকে।

১৪২. ইউক্লিড গ্রীক দেশের পন্ডিত।

১৪৩. জ্যামিতি গণিত শাস্ত্রের প্রাচীন শাখা ।

১৪৪. Geometry গ্রীক শব্দ ।

১৪৫. গ্রীক গণিতবিদ থেলিসের শিষ্য ছিলেন পীথাগোরাস।

১৪৬. রশ্মির প্রান্ত বিন্দু ১ টি।

১৪৭. রৈখিক যুগল কোণের পরিমান 180°

১৪৮. সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজের তিনটি কোণই সূক্ষ্মকোণ

১৪৯. ত্রিভূজের তিনটি কোণ দেওয়া থাকলে অসংখ্যক ত্রিভূজ আঁকা যায় ।

১৫০. পূর্ণ তার অংশের চেয়ে বড়।

১৫১. সকল সমকোণ পরস্পর সমান।

১৫২. যে কোন কেন্দ্র ও যে কোন ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকা যায়

১৫৩. একটি সরলরেখার একটি বিন্দুতে অপর একটি রশ্মি মিলিত হলে, যে দুটি সন্নিহিত কোণ উৎপন্ন হয় তাদের সমষ্টি ২ সমকোণ ।

১৫৪. দুটি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে উৎপন্ন বিপ্রতীপ কোণগুলো পরস্পর সমান ।

১৫৫. যেসব সরলরেখা একই সরল রেখায় সমান্তরাল সে গুলো পরস্পর সমান্তরাল

১৫৬. যে কোন দুটি বাহু শীর্ষ বিন্দুতে কোণ উৎপন্ন করে।

১৫৭. কোণ ভেদে ত্রিভূজ তিন প্রকার, সুক্ষ্মকোণী, সমকোণী, স্থুলকোণী।

১৫৮. বাহু ভেদে ত্রিভূজ তিন প্রকার, সমদ্বিবাহু,বিষমবাহু, সমবাহু।

১৫৯. ত্রিভূজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় তা এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।

১৬০. ত্রিভূজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়, তা এর অন্তঃস্থ বিপরীত কোণ দুটির প্রত্যেকটি অপেক্ষা বৃহত্তর ।

১৬১. সমকোণী ত্রিভূজের সুক্ষ্মকোণদ্বয় পরস্পর পূরক।

১৬২. ত্রিভূজের যে কোন দুই বাহুর দৈর্ঘ্যর সমষ্টি এর তৃতীয় ঝুর দৈর্ঘ্য অপেক্ষা বৃহত্তর ।

১৬৩. ত্রিভূজের যে কোন দুই বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখাংশ ৩য় বাহুর সমন্তরাল

১৬৪. ত্রিভূজের অতিভূজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান ।

১৬৫. বৃত্তের কেন্দ্র ও ব্যাস ভিন্ন কোনো জ্যা এর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখাংশ ঐ জ্যাএর উপর লম্ব।

১৬৬. যে কোন সরল রেখা একটি বৃত্তকে দুইয়ের অধিক বিন্দুতে ছেদ করতে পারে না ।

১৬৭. বৃত্তের সকল সমান জ্যা কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী।

১৬৮. বৃত্তের কেন্দ্র থেকে সমদুরবর্তী সকল জ্যা পরস্পর সমান।

১৬৯. বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণগুলো পরস্পর সমান ।

 ১৭০. সমকোণী ত্রিভূজের অতিভূজকে ব্যাসার্ধধরে বৃত্ত অঙ্কন করলে তা সমকৌণিক শীর্ষ বিন্দু দিয়ে যাবে।

১৭১. বৃত্তে অন্তর্লিখিত চতুর্ভূজের যে কোন দুটি বিপরীত কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ১৮০°।

১৭২. বৃত্তে অন্তর্লিখিত চতুর্ভূজের একটি বাহু বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় তা বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমান ।

১৭৩. ত্রিভূজের বহিঃস্থ কোণ বিপরীত অন্তঃস্থ যে কোন কোণের চেয়ে বড় ।

১৭৪. সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ভূমি সংলগ্ন কোণ দুইটি সমান ।

১৭৫. বৃত্তের কোন বিন্দুতে একটি মাত্র স্পর্শক অঙ্কন করা যায় ।

১৭৬. স্পর্শ বিন্দুতে স্পর্শকের উপর অঙ্কিত লম্ব কেন্দ্রগামী ।

১৭৭. বৃত্তের কোন বিন্দু দিয়ে ঐ বিন্দুগামী ব্যসার্ধের উপর অঙ্কিত লম্ব উক্ত বিন্দুতে বৃত্তটির স্পর্শক হয়।

১৭৮.দুটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করলে, স্পর্শ বিন্দু ছাড়া প্রত্যেক বৃত্তের অন্য সকল বিন্দু বড় বৃত্তটির অভ্যন্তরে থাকবে।

১৭৯. দুটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করলে, কেন্দ্রদ্বয়ের দুরত্ব বৃত্তদ্বয়ের ব্যাসার্ধের সমষ্টির সমান।

১৮০. দুটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্পর্শ করলে কেন্দ্রদ্বয়ের দুরত্ব বৃত্তদ্বয়ের অন্তরের সমান।

১৮১. বৃত্তের বহিঃস্থ কোন বিন্দু থেকে ঐ বৃত্তে দুটি স্পর্শক আঁকা যাবে।

 ১৮২, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে।

১৮৩. সুক্ষকোণী ত্রিভূজের পরিকেন্দ্র ত্রিভূজের অভ্যন্তরে অবস্থান করে।

 ১৮৪. স্থুলকোণী ত্রিভূজের পরিকেন্দ্র ত্রিভূজের বহির্ভাগে অবস্থান করে।ব্যাসার্ধের

১৮৫.বৃত্তের দুটি জ্যা এর মধ্যে বৃহত্তর জ্যা টি ক্ষুদ্রতর জ্যা অপেক্ষা কেন্দ্রের নিকটতর।

১৮৬. বৃত্তের সমান জ্যা এর মধ্যবিন্দু গুলো সমবৃত্ত।

১৮৭. দুই সমকোণ থেকে বড় এবং চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।

১৮৮. ইউক্লিড প্রদত্ত স্বীকার্য ৫ টি

১৮৯. স্বীকার্য ১ থেকে স্বীকার্য ৫ কে আপতন স্বীকার্য বলা হয় ।

১৯০. স্বীকার্য ৬ কে দুরত্ব স্বীকার্য, স্বীকার্য ৭ কে রূলার স্বীকার্য এবং স্বীকার্য ৮ কে রূলার স্থাপন স্বীকার্য বলা হয়।

১৯১. বৃত্তের ব্যাস 2r

১৯২. বৃত্তের ব্যাসার্ধ r

১৯৩. বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr2

১৯৪. ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সুত্র ৫ টি।

১৯৫. ঘন বস্তুর ৬ টি তল থাকে ।

১৯৬. সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল = (ভূমি × উচ্চতা) বর্গ একক ।

১৯৭. রম্বসের ক্ষেত্রফল = ( ১/২× কর্ণদ্বয়ের গুণফল) বর্গ একক

১৯৮. বর্গের পরিসীমা = 4 × বাহুর দৈর্ঘ্য

১৯৯. বর্গের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য = √2 × বাহু দৈর্ঘ্য

২০০. সুক্ষ্মকোণের পূরক কোণ সুক্ষ্মকোণ ।

২০১. যদি কোন প্রতিজ্ঞা সরাসরিভাবে একটি উপপাদ্যের সিদ্ধান্ত থেকে প্রমাণিত হয় তবে তাকে অনুসিদ্ধান্ত বলে ।

২০২. রম্বসের চারটি বাহু পরস্পর সমান।

২০৩. রম্বসের বিপরীত কোণ গুলি সমান ।

২০৪. রম্বস এক ধরনের বর্গ।

২০৫. আয়ত একধরনের সামন্তরিক।

২০৬. বর্গ একধরনের আয়ত।

২০৭. সমবাহু ত্রিভূজের বাহুর মধ্যবিন্দুগুলো যোগ করে একটি সমবাহু ত্রিভূজ পাওয়া যায়।

২০৮. বৃত্তে অন্তর্লিখিত সামান্তরিক একটি আয়ত ।

২০৯. বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো কেন্দ্রগামী জ্যা।

২১০. কোন বৃত্তের স্পর্শক ও স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যাসার্ধ্যের মধ্যবর্তী কোণের পরিমান ৯০°।

২১১. বৃত্তের কোন চাপ ও চাপের প্রান্তবিন্দুদ্বয় ও কেন্দ্রের সংযোগ রেখাংশ দুটি দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রটিকে বৃত্তকলা বলে ।

২১২. যে কোন দুইটির বৃত্তের কেন্দ্র স্পর্শক এর বিপরীত পাশে থাকলে তাকে বহিঃস্পর্শ বলে।

২১৩. একটি ত্রিভূজের বহিঃবৃত্ত গুলো বাহুগুলোকে স্পর্শ করে।

২১৪. একটি ত্রিভূজের অন্তঃবৃত্ত বাহুগুলোকে স্পর্শ করে।

২১৫. একটি ত্রিভূজের পরিবৃত্ত শীর্ষবিন্দু গুলোকে স্পর্শ করে। 

২১৬. সমবাহু ত্রিভূজের পরিকেন্দ্র এবং অন্তঃকেন্দ্র একই

২১৭. সমবাহু ত্রিভূজের পরিকেন্দ্র মধ্যমার উপর অবস্থিত।

২১৮. দুটি বৃত্তের কেন্দ্রদ্বয় স্পর্শকের একই পাশে থাকলে তাকে সরল সাধারণ স্পর্শক বলে।

২১৯. বৃত্তের কোন ব্যাসার্ধের প্রাপ্ত বিন্দুতে অংকিত লম্ব ঐ বৃত্তের স্পর্শক। 

২২০. কোন বৃত্তে একটি চতুর্ভূজ অন্তর্লিখিত হলে বৃত্তটিকে পরিবৃত্ত বলে । 

২২১. ত্রিভূজের বহিঃস্থ কোণ অন্তঃস্থ বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি সমান ।

 ২২২. বৃত্তের বহিঃস্থ কোনো বিন্দু থেকে অঙ্কিত স্পর্শকদ্বয় পরস্পর সমান । 

২২৩. বৃত্তের উপরস্থ কোন বিন্দুতে একটি স্পর্শক টানলে সেই বিন্দু থেকে কেন্দ্রগামী ব্যাসার্ধ ঐ স্পর্শকের সাথে ৯০° কোণ উৎপন্ন হয়।

২২৪. সরল রেখার সর্বাধিক দুটি ছেদ বিন্দু থাকতে পারে।

২২৫. একটি ত্রিভূজের শীর্ষ বিন্দু তিনটি দিয়ে অঙ্কিত বৃত্তকে পরিবৃত্ত বলে। 

২২৬. একটি চতুর্ভূজের শীর্ষ বিন্দু চারটি দিয়ে অঙ্কিত বৃত্তকে পরিবৃত্ত বলে ।

 ২২৭. ট্রাপিজিয়ামের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০° ।

আরো পড়ুন ট্রিকস: 




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনেট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url