এস এস সি পদার্থের অবস্থা ২য় অধ্যায় জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর (ক ও খ )

 

এস এস সি রসায়ন  ২য় অধ্যায় পদার্থের অবস্থা ১০০% কমনের   নিশ্চয়তায়… আমাদের প্রচেষ্টা-- বিভিন্ন ধরনের টেষ্ট পেপার ও মূলবই থেকে কমন উপযোগী প্রশ্ন গুলো নিয়ে আমাদের সাজেশন ,আশা করি অনেক কমন আসবে ইনশাআল্লাহ্…..

জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নগুলোর উত্তরসমূহ:

আমাদের  ওয়েবসাইট ও  চ্যানেলে তোমাদের  স্বাগতম । আমরা প্রতিনিয়ত সকল বোর্ডের প্রশ্নের সমাধান দিয়ে থাকি ।তোমাদের যে কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে দিতে পার । আমরা উত্তর দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।পরবর্তিতে সকল প্রশ্নের ব্যাখ্যাসহ সমাধান আপলোড দেব । পড়ার টেবিল নামের পুরো একটা লাইব্রেরী! এত বই পড়ে কি লাভ? যদি কমন না আসে এত বই পড়ার পরেও!

শিক্ষার্থীদের হতাশা থেকে মুক্তির পথে,আমরা শতভাগ (১০০%) কমনের নিশ্চয়তায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ! 

বিকল্পধারায় সহজ থেকেও সহজতর পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপহার স্বরুপ শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, CQ, MCQ,মডেল টেষ্ট, সৃজনশীল প্রশ্ন+উত্তর ও ভিডিও ক্লাস।সম্পুর্ণ ডিজিটাল পথে শিক্ষার্থীদের সফলতার সর্বোচ্চ চুড়ায় পৌঁছে দিতে আমাদের এই উদ্বেগ  ।

পেজ সূচিপত্র: (জ্ঞানমূলক প্রশ্নগুলো)


এইচএস সি ICT বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের   Admission Part-3 গুরুত্বপূর্ণ MCQ সমূহ (নিজেকে যাচাই করি পরিক্ষা দেই,পুরুষ্কার নেই-- )

১ম অধ্যায় ➤  ১ম অধ্যায় কুইজ-১

পেজ সূচিপত্র:(অনুধাবনমূলক প্রশ্নগুলো)


জ্ঞানমূলক প্রশ্নগুলোর উত্তরসমূহ:

প্রশ্ন ১। কোন ধরনের পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে?

 উত্তর : কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে।

প্রশ্ন ২। আন্তঃআণবিক শক্তি কাকে বলে?

উত্তর : পদার্থের অণুসমূহের মধ্যকার আকর্ষণ শক্তিকে আন্তঃআণবিক শক্তি বলে ।

আরও পড়ুন:জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় : ২০২১-২২ সকল প্রশ্ন ও উত্তর টেকনিকসহ

প্রশ্ন ৩। কণার গতিতত্ত্ব কাকে বলে?

উত্তর : আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি এবং কণাগুলোর গতিশক্তি দিয়ে পদার্থের কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা ব্যাখ্যা করার তত্ত্বকে কণার গতিতত্ত্ব বলে ।

প্রশ্ন ৪। আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি কী?

উত্তর : পদার্থের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলো একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে তাকে আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি বলা হয়।

প্রশ্ন ৫ । কোন পদার্থের আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম থাকে? 

উত্তর : কঠিন পদার্থের আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম থাকে।

প্রশ্ন ৬। ব্যাপন কী?

উত্তর : ব্যাপন হলো কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়া ।

প্রশ্ন ৭। পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কোন বর্ণের?

 উত্তর : পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট হালকা গোলাপি

প্রশ্ন ৮। পাকা কাঁঠালের গন্ধ ঘরময় ছড়িয়ে পড়ে কোন প্রক্রিয়ায়?

 উত্তর : ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পাকা কাঁঠালের গন্ধ ঘরের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।

প্রশ্ন ৯। ব্যাপন প্রক্রিয়াটির উপর কোন নিয়ামকের প্রভাব নেই?

 উত্তর : ব্যাপন প্রক্রিয়াটির উপর চাপের প্রভাব নেই ।

প্রশ্ন ১০। তাপমাত্রা বাড়ালে ব্যাপন হারের কিরূপ পরিবর্তন ঘটে?

 উত্তর : তাপমাত্রা বাড়ালে ব্যাপন হার দ্রুত হয় ।

প্রশ্ন ১১। নিঃসরণ কাকে বলে? 

উত্তর : সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।

প্রশ্ন 12। মোম কী?

উত্তর : মোম হচ্ছে উচ্চতর অ্যালকেন যা স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন ।

প্রশ্ন ১৩। মোমের দহন বিক্রিয়াটি লিখ।

উত্তর : মোম + O2(g) → CO2(g) + H2O(g) + তাপ + আলো

প্রশ্ন ১৪। স্ফুটনাঙ্ক কি?

উত্তর : 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রদানের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় সে তাপমাত্রাকে উক্ত তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলা হয় ৷

প্রশ্ন ১৫। গলন কাকে বলে?

উত্তর : তাপ প্রয়োগে কোনো পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে গলন বলে।

প্রশ্ন ১৬। গলনাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর : 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রদানের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে উক্ত কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।

প্রশ্ন ১৭। স্ফুটনের আপেক্ষিক সুপ্ততাপ কী?

উত্তর : কোনো পদার্থ তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হতে যে পরিমাণ তাপ গ্রহণ করে তাকে পদার্থের স্ফুটনের আপেক্ষিক সুপ্ততাপ বলে ।

প্রশ্ন ১৮। স্ফুটন কী ?

উত্তর : তাপ প্রয়োগ করে তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে ।

প্রশ্ন ১৯। তরল কোন শর্তে গ্যাসে পরিণত হয়?

উত্তর : তরলকে তাপ দিলে তা স্ফুটনাঙ্কে পৌঁছে এবং গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয় ।

প্রশ্ন ২০। কঠিন পদার্থ কোন তাপমাত্রায় তরলে পরিণত হয়?

উত্তর : কঠিন পদার্থে তাপ দিলে তা গলনাঙ্কে পৌঁছালে তরলে পরিণত হয় ।

প্রশ্ন ২১। সুপার হিটেড ওয়াটার কাকে বলে?

উত্তর : অতিরিক্ত চাপে 100°C থেকে 374°C তাপমাত্রার মধ্যবর্তী যেকোনো তাপমাত্রার পানিকে সুপার হিটেড ওয়াটার বলে ।

প্রশ্ন ২২। NaCl এর গলনাঙ্ক কত?

উত্তর : NaCl এর গলনাঙ্ক 801 °C

প্রশ্ন ২৩। শুষ্ক বরফ কী?

উত্তর : কঠিন CO2 কে শুদ্ধ বরফ বলে ।

প্রশ্ন ২৪। ঊর্ধ্বপাতন কী?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলে । সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় সেই

প্রশ্ন ২৫। পাতন কাকে বলে?

উত্তর : কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে ।

প্রশ্ন ২৬। ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ কাকে বলে?

উত্তর : যেসব কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় সেসব কঠিন পদার্থকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে ।

প্রশ্ন ২৭। বাষ্পীভবন কাকে বলে?

উত্তর : কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে ।

প্রশ্ন ২৮। তাপ প্রয়োগে কঠিন থেকে গ্যাসে পরিণত হয় এমন দুটি পদার্থের নাম লিখ।

উত্তর : তাপ প্রয়োগে কঠিন থেকে গ্যাসে পরিণত হয় এমন দুটি পদার্থ হলো- আয়োডিন ও কর্পূর।

প্রশ্ন ২৯। কর্পূরের সংকেত লিখ ।

উত্তর : কর্পূরের সংকেত হচ্ছে— C10H16O।

 অনুধাবনমূলক প্রশ্নগুলোর উত্তরসমূহ:

এস এস সি রসায়ন ২য় অধ্যায় পদার্থের অবস্থা  ১০০% কমনের নিশ্চয়তায় (খ)অনুধাবনমূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর সটকাট টেকনিকসহ। 

প্রশ্ন ১। একই পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রায় ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা প্রদর্শন করে কেন?

 উত্তর : প্রতিটি পদার্থ আন্তঃআণবিক শক্তির কারণে অণুসমূহ পরস্পরের সন্নিকটে অবস্থান করে। অন্যদিকে অণুসমূহ সর্বদা কম্পমান থাকে। তাপমাত্রা যত বাড়ে কম্পনও তত বাড়ে। তাপ শক্তির প্রভাবে তাদের মধ্যে গতিশক্তির সঞ্চার হয়। ফলে অণুসমূহ পরস্পর হতে বিচ্ছিন্ন হতে চায় এবং এক পর্যায়ে অণুসমূহ বন্ধন ছিন্ন করে দূরে সরে যায়। আবার তাপমাত্রা হ্রাস করলে অণুসমূহ পরস্পরের কাছাকাছি চলে আসে। এভাবে তাপের প্রভাবে একই পদার্থ কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় অবস্থা প্রদর্শন করে।

প্রশ্ন ২। গ্যাসীয় পদার্থগুলোর কোনো নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে না কেন?

উত্তর : গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি অত্যন্ত কম এবং গতিশক্তি অত্যধিক থাকে। এজন্য অণুগুলো ইতস্তত বিক্ষিপ্তরূপে স্বাধীনভাবে বিভিন্ন দিকে চলাচল করতে পারে । অণুগুলোর মধ্যকার ফাঁকা স্থান বা দূরত্ব খুবই বেশি থাকায় গ্যাসীয় পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে না ।

প্রশ্ন ৩। তাপমাত্রা ও চাপের সাথে গ্যাসের আয়তনের সম্পর্ক কিরূপ তা ব্যাখ্যা কর ।

 উত্তর : তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি পায়। কারণ এ সময় গ্যাসের অণুসমূহের মধ্যে আন্তঃআণবিক শক্তি খুবই কমে যায়। আবার তাপমাত্রা হ্রাস করলে আন্তঃআণবিক শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাসের আয়তন হ্রাস পায় । অর্থাৎ তাপমাত্রা ও আয়তন পরস্পরের সমানুপাতিক । আবার, চাপ বৃদ্ধি করলে গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কমে যায় তথা আন্তঃআণবিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে আয়তন সংকোচন হয়। অর্থাৎ চাপ ও আয়তন পরস্পরের ব্যস্তানুপাতিক ।

প্রশ্ন ৪। কণার গতিতত্ত্ব বলতে কী বুঝ?

 [ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম; গভঃ ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা]

উত্তর : সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত । এই কণাগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে থাকে, যাকে আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি বলা হয়। আবার কণাগুলোর গতিশক্তিও রয়েছে। আন্তঃকণা আকর্ষণ শক্তি এবং কণাগুলোর গতিশক্তি দিয়ে পদার্থের কঠিন; তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা ব্যাখ্যা করার তত্ত্বকেই কণার গতিতত্ত্ব বলা হয় ।

প্রশ্ন ৫। আন্তঃআণবিক শক্তি বলতে কী বোঝায়?

 উত্তর : প্রত্যেক পদার্থই অণুর সমন্বয়ে গঠিত। এ অণুসমূহ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। যে শক্তি বলে অণুসমূহের মধ্যে আকর্ষণ বিদ্যমান তাকে আন্তঃআণবিক শক্তি বলে । পদার্থের অবস্থাভেদে আন্তঃআণবিক শক্তির তারতম্য ঘটে। যেমন— কঠিন পদার্থের সবচেয়ে বেশি, তরলের আন্তঃআণবিক শক্তি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম এবং গ্যাসীয় পদার্থের সবচেয়ে কম ।

প্রশ্ন ৬। তাপ প্রয়োগের ফলে অণুসমূহের গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় কেন?

 উত্তর : পদার্থ যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত সে কণাগুলো যেকোনো তাপমাত্রায় চলাচল করে । ক্ষুদ্র কণাগুলোর চলাফেরার ফলে পদার্থ এক ধরনের শক্তি লাভ করে। পদার্থের এ শক্তিই গতিশক্তি । তাপ প্রয়োগের ফলে ক্ষুদ্র কণাগুলোর চলাচলের গতি বৃদ্ধি পায়। এ কারণে গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় ।

প্রশ্ন ৭। ব্যাপন বলতে কী বুঝায়?

উত্তর : কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। যেমন, পরীক্ষাগারে NH-র বোতল খোলা রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে NH, গ্যাসের গন্ধ অনুভূত হয় । এভাবে NH, গ্যাসটির ছড়িয়ে পড়া হলো ব্যাপন । ব্যাপন হার বস্তুর ভর ও ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল । বস্তুর ভর ও ঘনত্ব যত কম হবে তার ব্যাপন হার তত বেশি হবে।

প্রশ্ন ৮। CO2(g) এবং CH (g) এর মধ্যে কার ব্যাপন হার বেশি?

 উত্তর : CO2(g) এবং CH4(g) এর মধ্যে CH4 (g) এর ব্যাপন হার বেশি। কারণ গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রানুসারে ব্যাপন হলো আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ যার আণবিক ভর যত কম হবে তার ব্যাপন হার তত্ বেশি হবে। CO2 এর আণবিক ভর (12 + 16 × 2) বা, 44 এবং CH, এর আণবিক ভর (12 + 1 × 4) বা, 161 CH এর আণবিক ভর কম হওয়ায় এর ব্যাপন হার বেশি হয়। 

প্রশ্ন ৯। মিথেন ও অ্যামোনিয়া এর মধ্যে কোনটির ব্যাপন সময় বেশি?

  [উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল] 

উত্তর : মিথেন (CH4) ও অ্যামোনিয়া (NH3) এর মধ্যে NH3 এর ব্যাপন সময় বেশি লাগবে তথা ব্যাপন হার কম। এর কারণ নিম্নরূপ— জানা আছে, পদার্থের ব্যাপন হার এর আণবিক ভরের উপর নির্ভরশীল। আণবিক ভর যত কম, তার ব্যাপন হার তত বেশি যেমন-  CH4 এর আণবিক ভর = 12 + 4 = 16

NH3 এর আণবিক ভর = 14 + 3 = 17 দেখা যাচ্ছে, NH, এর আণবিক ভর (17), CH, এর আণবিক ভর (16) এর তুলনায় বেশি। অর্থাৎ NH, এর ব্যাপন হার কম। তাই NH, পদার্থটির ছড়িয়ে পড়তে বেশি লাগবে তথা এর ব্যাপন সময় বেশি ।

প্রশ্ন ১০। H2S এবং CO2 এর মধ্যে কোনটির ব্যাপন হার বেশি এবং কেন?

 উত্তর : H2S এবং CO2 এর মধ্যে H2S এর ব্যাপনের হার বেশি। কারণ আমরা জানি, কোনো গ্যাসের ব্যাপন হার ঐ গ্যাসের আণবিক ভরের উপর নির্ভরশীল । অর্থাৎ যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত কম। HS এবং CO2 এর মধ্যে H2S এর পারমাণবিক ভর 

(1 × 2 + 32 ) 

= 34 যা CO2 এর পারমাণবিক ভর (12 + 16 × 2) = 44 হতে কম। তাই H2S এর ব্যাপনের হার বেশি।

 প্রশ্ন ১১। NH3 ও SO2 এর মধ্যে কোনটির ব্যাপন হার বেশি?

 উত্তর : জানা আছে, কোনো গ্যাসের ব্যাপন হার এর আণবিক ভরের উপর নির্ভর করে। যেসব গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তাদের ব্যাপন হার তত কম। আর যেসব গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তাদের ব্যাপন হার তত বেশি ।

SO2 এর আণবিক ভর = 32 + 2 × 16

= 32 + 32

= 64

এবং NH, এর আণবিক ভর = 14 + 1 x 3 = 17 দেখা যাচ্ছে, SO2 এর আণবিক ভর NH, অপেক্ষা বেশি । সুতরাং, NH, এর ব্যাপন হার SO2 অপেক্ষা বেশি ।

প্রশ্ন ১২। NH, ও HCI এর মধ্যে কোনটির ব্যাপনের হার বেশি এবং কেন?

উত্তর : NH ও HCl এর মধ্যে NH, এর ব্যাপনের হার বেশি। এর কারণ নিম্নরূপ- কোনো পদার্থের ব্যাপনের হার তার আণবিক ভর ও ঘনত্বের উপর নির্ভরশীল। পদার্থের আণবিক ভর ও ঘনত্ব যত কম হবে তার ব্যাপনের হার তত বেশি হবে। NH3 এর আণবিক ভর 17 এবং ঘনত্ব 0.758 g / L HCl এর আণবিক ভর 36.5 এবং ঘনত্ব 1.62 g / L অপেক্ষা কম। তাই NH, এর ব্যাপনের হার HCI অপেক্ষা বেশি ।

প্রশ্ন ১৩। তাপমাত্রা বাড়ালে ব্যাপনের হার বাড়ে কেন?

উত্তর : কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসের কোনো জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপন বলে। কোনো পদার্থের ব্যাপনের হার তার ভর ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের উপর নির্ভরশীল। আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কম হলে ব্যাপন দ্রুত হয় অর্থাৎ ব্যাপন হার বেশি হয়। তাপমাত্রা বাড়ালে বস্তুর আন্তঃকণা আকর্ষণ কমে যায় এবং ফলস্বরূপ ব্যাপন হার বেড়ে যায় ।

প্রশ্ন ১৪। CO ও N2O এর মধ্যে কোনটির ব্যাপন হার বেশি?

উত্তর : CO ও N2O এর মধ্যে CO এর ব্যাপনের হার বেশি। কারণ, আমরা জানি, কোন গ্যাসের ব্যাপন হার উক্ত গ্যাসের আণবিক ভরের ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত কম। CO এবং N2O এর মধ্যে CO এর আণবিক ভর (12 + 16) = 28 যা N2O এর আণবিক ভর (2 × 14 + 16) = 44 হতে কম । তাই CO ব্যাপন হার বেশি।

প্রশ্ন ১৫। বিউটেনের নিঃসরণ হার প্রোপেনের তুলনায় কম হয় কেন ? 

উত্তর : কোনো মৌলের নিঃসরণ হার তার আণবিক ভরের উপর নির্ভর করে। যে মৌলের আণবিক ভর যত বেশি সে মৌলের নিঃসরণ হার তত কম । বিউটেন (C4H1o) এর আণবিক ভর = (12 × 4 ) + ( 1 × 10) = 58 প্রোপেন (C3Hg) এর আণবিক ভর = (12 × 3) + ( 1 × 8) = 44 যেহেতু বিউটেনের আণবিক ভর প্রোপেন অপেক্ষা বেশি সেহেতু বিউটেনের নিঃসরণ হার প্রোপেনের তুলনায় কম হয়।

প্রশ্ন ১৬। পাকা কাঁঠাল থেকে গন্ধ কোন উপায়ে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর : পাকা কাঁঠাল থেকে গন্ধ কাঁঠালের ত্বকের ছিদ্রপথে বেরিয়ে এসে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে ত্বকের ছিদ্রপথে গন্ধ বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া হলো নিঃসরণ, আবার এই গন্ধ বের হওয়ার পর বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়া হলো ব্যাপন। কাঁঠালের ভিতর কাঁঠাল পাকার জন্য দায়ী উপাদানের চাপ বেশি হওয়ায় নিম্নচাপ অঞ্চলে অর্থাৎ বাইরে বেরিয়ে আসে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় আবার বের হওয়ার পর উপাদানটির স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ।

এভাবেই পাকা কাঁঠালের গন্ধ নিঃসরণ আর ব্যাপন দুই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পেয়ে থাকি ।

প্রশ্ন ১৭। বডি স্প্রেতে ব্যাপন বা নিঃসরণের কোনটি আগে ঘটে? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর : বডি স্প্রেতে আগে নিঃসরণ ঘটে। বডি স্প্রেতে সুগন্ধি দ্রব্যসমূহ (দ্রাবকসহ) উচ্চচাপে তরলীকৃত অবস্থায় থাকে। অর্থাৎ বডি স্প্রের ভিতরে চাপ বাইরের চাপের তুলনায় অনেক বেশি হয়। বডি স্প্রে এর স্প্রে বাটনে চাপ দিলে সূক্ষ্ম ছিদ্রপথে সুগন্ধি দ্রব্য উচ্চচাপ অঞ্চল (বডি স্প্রে বোতল) থেকে

নিম্নচাপ অঞ্চলে (বাইরে বেরিয়ে আসে। তারপর ছড়িয়ে পড়ে। অর্থাৎ সম্পূর্ণ চাপমুক্ত হলে তখন ব্যাপনে রূপান্তরিত হয়। অতএব, বডি স্প্রেতে আগে নিঃসরণ ও পরে ব্যাপন ঘটে।

প্রশ্ন ১৮। উদাহরণসহ নিঃসরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। যেমন H2, N2 ও CH4 ভর্তি তিনটি বেলুনে সম আয়তনের ছিদ্র করলে H2 গ্যাসটি সবচেয়ে দুর্ত বেরিয়ে যাবে। কারণ H2 গ্যাসের আণবিক ভর সবচেয়ে কম। তাই এর নিঃসরণ হাব সবচেয়ে বেশি।

প্রশ্ন ১৯। ব্যাপন ও নিঃসরণের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর : নিচে ব্যাপন ও নিঃসরণের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য তুলে ধরা হলো : 



প্রশ্ন ২০। মোম এর দহন কোন ধরনের পরিবর্তন-ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর : মোমের প্রধান উপাদান বিভিন্ন মোমের দহন করলে তার কিছু অংশ ভৌত পরিবর্তনের মাধ্যমে গলে কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং ঠাণ্ডা হয়ে পুনরায় কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। একই সাথে মোমের কিছু অংশ বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে নতুন পদার্থ সৃষ্টি হওয়ায় এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন । কাজেই মোম দহনের সময় ভৌত ও রাসায়নিক উভয় পরিবর্তন সংঘটিত হয় ।



প্রশ্ন ২১। ইথেনের দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন- ব্যাখ্যা কর। 

       [দি বো. [২২] 

উত্তর : যে পরিবর্তনের ফলে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। ইথেন (C2H6) এর দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন । কারণ ইথেনের দহন বিক্রিয়াটি—


প্রশ্ন ২২। মোমবাতি প্রজ্জ্বলনকালে কয় ধরনের পরিবর্তন সংঘটিত হয়- ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর : মোমবাতি প্রজ্জ্বলনকালে পদার্থের দুই ধরনের পরিবর্তন হয়। ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক পরিবর্তন। মোম জ্বালালে তার কিছু অংশ শুধু ভৌত পরিবর্তনের মাধ্যমে গলে কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং ঠাণ্ডা হয়ে পুনরায় কঠিন অবস্থায় পরিণত হয়। একই সাথে মোমের কিছু অংশ অক্সিজেনের সাথে

বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয় বাষ্প উৎপন্ন করে। এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। সুতরাং দেখা গেল, মোম জ্বালালে ভৌত ও রাসায়নিক দুই ধরনের পরিবর্তন সংঘটিত হয়।

প্রশ্ন ২৩। পানির গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ভিন্ন কেন?

উত্তর : যে তাপমাত্রায় পানি (বরফ) এর আন্তঃআণবিক বল ও গতিশক্তি সমান হয়ে যায় বা তরলে পরিণত হয় তাকে পানির গলনাঙ্ক বলে। পানির গলনাঙ্ক (0°C। আবার যে তাপমাত্রায় পানির অণুসমূহের আন্তঃআণবিক বল অপেক্ষা অণুসমূহের গতিশক্তি বেশি হয় বা পানি বাষ্পে পরিণত হয় সে অবস্থাকে স্ফুটনাঙ্ক বলে। পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C। অর্থাৎ পানির অণুসমূহ বাষ্পীভূত হওয়ার জন্য গতিশক্তি বেশি হওয়া দরকার। এজন্য অধিক তাপশক্তির প্রয়োজন হয়। তাই পানির স্ফুটনাঙ্ক গলনাঙ্ক অপেক্ষা বেশি হয়। অর্থাৎ পানির গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ভিন্ন হয়।

প্রশ্ন ২৪। NaCl উচ্চ গলনাঙ্কবিশিষ্ট হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) একটি কঠিন আয়নিক পদার্থ। NaCl যৌগে সংশ্লিষ্ট আয়নসমূহ নির্দিষ্ট অনুপাতে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ শক্তি দ্বারা কেলাস জালিতে নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। এজন্য NaCl যৌগের কেলাস থেকে Na+ ও Cl- আয়নগুলোকে পৃথক করে বিগলিত করতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। এ কারণেই NaCl যৌগের গলনাঙ্ক বেশি হয় ।

প্রশ্ন ২৫। CO2 এর তাপীয় বক্ররেখা অঙ্কন করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : CO2 কে শীতল করলে সরাসরি কঠিন CO2 এ পরিণত হয়। সুতরাং CO2 এর তাপীয় বক্ররেখাটি হবে উদ্বায়ী পদার্থের মতো। নিম্নে CO2 এর তাপীয় বক্ররেখা অঙ্কন করা হলো—



প্রশ্ন ২৬। একটি পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ভিন্ন কেন?

উত্তর : যে তাপমাত্রায় কোনো বস্তুর অণুসমূহের আন্তঃ-আণবিক বল ও অণুসমূহের গতিশক্তি সমান হয় বা বস্তুটি তরলে পরিণত হয় তাকে ঐ বস্তুর গলনাঙ্ক বলে ।আবার যে তাপমাত্রায় বস্তুর অণুসমূহের আন্তঃআণবিক বল অপেক্ষা অণুসমূহের গতিশক্তি বেশি হয় বা বস্তুটি বাষ্পীয় দশাপ্রাপ্ত হয় তাকে ঐ বস্তুর স্ফুটনাঙ্ক বলে । অর্থাৎ বাষ্পীভূত হওয়ার জন্য বস্তুর অণুসমূহের গতিশক্তি বেশি (তরল অবস্থা অপেক্ষা) হওয়া দরকার পড়ে। আর বেশি গতিশক্তি লাভের জন্য বস্তুর অধিক তাপশক্তির প্রয়োজন; তাই স্ফুটনাঙ্ক গলনাঙ্ক অপেক্ষা বেশি হয়। সামগ্রিকভাবে বলা যায়, ভিন্ন পরিমাণ তাপশক্তির প্রয়োজন বিধায় একই বস্তুর গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ভিন্ন হয়।

প্রশ্ন ২৭। কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক উচ্চ হয় কেন?

 উত্তর : কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল অত্যন্ত বেশি হয়। এজন্য যথেষ্ট তাপশক্তি প্রয়োগ করে এই বলকে অতিক্রম করতে হয়। তাই কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি হয়। 

প্রশ্ন২৮। মিশাদলকে উর্ধ্বগতিত পদার্থ বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : যেসব কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয় তাদেরকে উর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে। নিশাদল (NH4CI) কে তাপ দিলে এটি কঠিন অবস্থা থেকে সরাসরি বাষ্পীয় অবস্থায় পরিণত হয় । এজন্য নিশাদলকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয় । 

প্রশ্ন ২৯। I, কে তরল অবস্থায় পাওয়া সম্ভব কিনা? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : 1⁄2 কে তরল অবস্থায় পাওয়া সম্ভব না। কারণ এটি একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ। ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থগুলোকে তাপ দিলে তা তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। যেহেতু I2 একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ, সেহেতু কঠিন 2 কে তাপ দিলে তা তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি I, এর বাষ্পে পরিণত হয়। অর্থাৎ 12 কে তরল অবস্থায় পাওয়া সম্ভব নয়।

প্রশ্ন ৩০। কঠিন আয়োডিন একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ— ব্যাখ্যা কর ।

 উত্তর : কঠিন আয়োডিন (I2) একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ। ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থগুলোকে তাপ দিলে তা তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। যেহেতু 1⁄2 একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ, সেহেতু কঠিন 12 কে তাপ দিলে তা তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি I এর বাষ্পে পরিণত হয়। অর্থাৎ 1⁄2 কে তরল অবস্থায় পাওয়া সম্ভব নয়। তাই, কঠিন 1⁄2 একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদাৰ্থ ।

প্রশ্ন ৩১। আয়োডিনকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় কেন?

উত্তর : যেসব কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয় তাদেরকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে। আয়োডিন একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ; কারণ কঠিন আয়োডিনকে তাপ দিলে তা সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় ।

কঠিন আয়োডিন = আয়োডিন বাষ্প

প্রশ্ন ৩২। C10H8 একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ— ব্যাখ্যা কর ।

 উত্তর : C10H8 হলো ন্যাপথলিন। যেসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয় তাদেরকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে। C10H8  (ন্যাপথলিন) ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ । কারণ কঠিন ন্যাপথলিনকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।

প্রশ্ন ৩৩ । ন্যাপথালিনকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় কেন? 

 উত্তর : যেসব কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তরলে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয় তাদেরকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে । ন্যাপথালিন একটি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ, এর কোনো তরল ভৌত অবস্থা থাকে না । এ কারণে ন্যাপথালিনকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় ।

প্রশ্ন ৩৪। কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসকে শীতল করলে কেন তরলে পরিণত হয় না- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : কিছু পদার্থ আছে যেগুলোকে গ্যাসীয় অবস্থা থেকে তাপ হ্রাস করলে সরাসরি কঠিনে রূপান্তরিত হয়। আবার কঠিন অবস্থায় তাপ প্রয়োগ করে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তর করা হয়। এ ধরনের পদার্থকে উর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলে । তেমনই কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) একটি উর্ধ্বপাতিত পদার্থ। এজন্য CO,গ্যাসকে শীতল করলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি কঠিনে পরিণত হয় ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনেট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url