বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ

 অধ্যায় ১০: বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ

আমাদের  ওয়েবসাইট “অর্ডিনেট আইটি.কম” ও  চ্যানেল ”অর্ডিনেট ক্লাসরুম  ”আপনাদের  স্বাগতম । 
আমরা একটি ভিন্ন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখি। আমরা অধিক চিন্তাশীল প্রজন্ম গড়তে চাই, আলাদা মানুষ যাদের আগে চিন্তা করার অভ্যাস থাকবে। আমরা মানুষ কেন? কারণ আমরা চিন্তা করি, এবং সেই চিন্তাকে মুক্তচিন্তা হতে হবে। আর মুখস্থ করে আর যা ই হোক, বিজ্ঞান শিক্ষা হতে পারে না। আর সেই প্রচেষ্টারই অংশ হল আমাদের কনটেন্ট ও ভিডিও লেকচার। এই কনটেন্ট ও  ভিডিওগুলির উদ্দেশ্য হল প্রতিটি বিষয় এমনভাবে শেখানোর চেষ্টা করা যাতে আপনি বইয়ের বাইরেও অনেক কিছু ভাবতে পারেন। আর আপনি যখন চিন্তাশীল মানুষ হবেন, তখন আপনি নিজেই বুঝবেন এই দেশকে আলাদা করতে আমাদের কী করতে হবে, কতদূর যেতে হবে।



 ভূগোল  সাজেশন

পেজ সূচিপত্র : অধ্যায় ১০: বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ

তথ্যকণিকা(Information)

এখানে অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ একনজরে দেখার জন্য দেওয়া হয়েছে।

  • ১. বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে – কর্কটক্রান্তি রেখা।
  • ২. বাংলাদেশের অবস্থান- দক্ষিণ এশিয়ায়।
  • ৩. বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল। 
  • ৪. ১ নটিক্যাল মাইল- ১.৮৫২ কিলোমিটার।
  • ৫. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল - ২০০ নটিক্যাল মাইল। 
  • ৬.বঙ্গোপসাগরের তটরেখা- ৭১৬ কি.মি.।
  • ৭. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং যার উচ্চতা- ১,২৩১ মিটার। 
  • ৮. টারশিয়ারি যুগের পাহাড় গঠিত— হিমালয় সৃষ্টিকালীন ।
  • ৯. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর স্থানীয় পরিচয়- টিলা।
  • ১০. বরেন্দ্র ভূমির মাটির রং- ধূসর ও লাল।
  • ১১. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত— কুমিল্লার লালমাই পাহাড়।
  • ১২. পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ— বাংলাদেশ ।
  • ১৩. পাদদেশীয় সমভূমির অন্তর্ভুক্ত- রংপুর ও দিনাজপুর।
  • ১৪. কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট— বদ্বীপ সমভূমি ।
  • ১৫. খুলনা, পটুয়াখালী- স্রোতজ সমভূমি। 
  • ১৬. ভৈরব ও গড়াই, পদ্মার শাখা নদী ।
  • ১৭. পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মিলন স্থান- চাঁদপুর।
  • ১৮. মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে— ব্রহ্মপুত্র নদ। 
  • ১৯. আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে— কর্ণফুলী নদী।
  • ২০. বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর অবস্থিত- কর্ণফুলী নদীর তীরে। 
  • ২১. সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু— ক্রান্তীয় মৌসুমি । 
  • ২২. বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত — ২০৩ সে.মি. ।
  • ২৩. বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে অধিক বৃষ্টিপাত হয়— বর্ষাকালে । 
  • ২৪. মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন ।
  • ২৫. সূর্য কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়— গ্রীষ্মে।
  • ২৬. বাংলাদেশের উষ্ণ ঋতু গ্রীষ্মকাল ।
  • ২৭. বাংলাদেশে উষ্ণতম মাস- এপ্রিল ।
  • ২৮. মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়— জুন থেকে অক্টোবর ।
  • ২৯. বাংলাদেশে শীতলতম মাস জানুয়ারি।
  • ৩০ বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য— উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল ।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সাজেশন

ক নং প্রশ্ন (জ্ঞানমূলক)

 প্রশ্ন-১.বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কোন রেখা অতিক্রম করেছে? 

উত্তর: বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তিরেখা (২৩.৫° উত্তর) অতিক্রম করেছে।

প্রশ্ন-২ টিলা কাকে বলে? 

উত্তর: বাংলাদেশের উত্তরের (সিলেট, ময়মনসিংহ) পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে টিলা বলে।

 প্রশ্ন-৩. প্লাইস্টোসিনকাল কাকে বলে?

 উত্তর: আজ থেকে আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কালকে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।

প্রশ্ন-৪.উপনদী কাকে বলে? 

উত্তর: পর্বত বা হ্রদ থেকে যেসব ছোট নদী উৎপন্ন হয়ে কোনো বড় নদীতে পতিত হয় তাকে সেই বড় নদীর উপনদী বলে। 

 প্রশ্ন-৫. নদী সংগম কাকে বলে?

উত্তর: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদী সংগম বলে।

 যেমন—

  • পদ্মা ও 
  • যমুনার মিলনস্থল দৌলতদিয়া।

প্রশ্ন-৬.মৌসুমি জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর: মৌসুমি বায়ু প্রভাবিত অঞ্চলের জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে ।

প্রশ্ন-৭.জলবায়ু কাকে বলে? 

উত্তর: কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

প্রশ্ন-৮. বর্ষাকাল কাকে বলে?

 উত্তর: গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি (জুন থেকে অক্টোবর) বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বলে।

 প্রশ্ন-৯.শীতকাল কাকে বলে?

উত্তর: বাংলাদেশের নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে ।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর  

খ নং প্রশ্ন (অনুধাবনমূলক)

প্রশ্ন-১ কালবৈশাখী ঝড় কীভাবে সৃষ্টি হয়?

অথবা,

 বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালীন সৃষ্ট ঝড়ের কারণ ব্যাখ্যা করো।

অথবা, 

কালবৈশাখী ঝড় কাকে বলে?

 উত্তর: গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য কালবৈশাখী ঝড় । গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে দক্ষিণ দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুপ্রবাহ অধিক উত্তাপের প্রভাবে উপরে ওঠে যায়।এ সময় উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহের সঙ্গে সংঘর্ষে বজ্রস্হ ঝড়বৃষ্টি সংঘটিত হয়। এটি কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত। বাংলাদেশে মার্চ-এপ্রিল মাসে এ ধরনের ঝড় হয়ে থাকে।

 প্রশ্ন-২ নদীর মোহনায় সমতলভূমি জেগে ওঠে কেন?

 উত্তর: বাংলাদেশের নদীগুলো নাব্যতা হারানোর ফলে চর বা সমতূলভূমি জেগে উঠছে। বর্ষাকালে উজান থেকে আসা খরস্রোতা নদীগুলো পাহাড়ি পলি বয়ে নিয়ে আসে এবং নদীতীরে ভাঙনের সৃষ্টি করে। ভাটিতে নদীগুলোর স্রোতের গতি কমে যায়। তখন নদীগুলোর তলদেশে পলি সঞ্চিত হয়ে ভরাট হয় ও ক্রমে নাব্যতা হারায়। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক নদীগুলো নিয়ে বিরোধ ও ঐগুলো থেকে পানি  প্রত্যাহারের ফলে পানির খরস্রোতধারা কমে যাওয়ায় নদীর মোহনায় এই সঞ্চিত পলি থেকে চর জেগে উঠছে।

প্রশ্ন-৩.বাংলাদেশের নদী নাব্যতা হারাচ্ছে কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মানুষের অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের নদীগুলো নাব্যতা হারাচ্ছে। পলি সঞ্চয়, দুধারে অপরিকল্পিত বাঁধ, সড়ক, কারখানা, আবাসিক স্থাপনা নির্মাণ ও পয়নিষ্কাশনের নির্গমনের স্থান হিসেবে ব্যবহার এবং নদী অপদখল ও ভরাটকরণের ফলে বাংলাদেশের নদী ক্রমে নাব্যতা হারাচ্ছে।

প্রশ্ন-৪. বাংলাদেশের জলবায়ুর কোন জলবায়ুর প্রভাব বেশি? ব্যাখ্যা করো। 

অথবা, 

বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: বাংলাদেশের জলবায়ু সাধারণত সমভাবাপন্ন । দেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে। কিন্তু এদেশের জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-৫.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয় কেন?

উত্তর: এ দেশের মানুষের জীবনযাত্রা, সাংস্কৃতিক ও অর্থনীতির উপর নদীর প্রভাব রয়েছে। অধিকসংখ্যক নদী এবং দেশের মানুষের জীবন-জীবিকায় নদীগুলোর উপর নির্ভরতার বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১.রাহাতের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। রাহাতের বসবাসকৃত অঞ্চলে নিচের কোন ধরনের সমভূমি দেখা যায়?

ক) পাদদেশীয়

খ) প্লাবন

গ) ব-দ্বীপ

ঘ)উপকূলীয়

উ:খ

২.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে রয়েছে?

ক) দক্ষিণ-পশ্চিম

খ)উত্তর-পশ্চিম

গ) দক্ষিণ-পূর্ব

ঘ)পশ্চিমাংশ

উ:গ

৩.বুড়িগঙ্গা কোন নদীর শাখা নদী?

ক) শীতলক্ষ্যা

খ) ধলেশ্বরী

গ) মধুমতি

ঘ) আড়িয়াল খা

উ:খ

৪.নদী ভরাটের কারণ—

ক)প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ

খ) পানিপ্রবাহ সচল থাকা

গ)পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ

(ঘ) পলি সঞ্চিত হওয়া

উ:ঘ

৫. বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?

ক. কর্কটক্রান্তি

খ) মকরক্রান্তি

গ) ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা 

ঘ)১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা

উ:ক

৬.১ নটিক্যাল মাইল = কত কিলোমিটার?

ক)১.৮৫২

খ)২.০০

গ)২.০০

ঘ)১০.১

উ:ক

৭.বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা কত কিঃ মিঃ?

ক) ৭১৬

খ)৩৭১৫

গ)৪৭১১

ঘ)৫৮১৫

উ:গ

৮. বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা কত কি.মি.?

ক) ২৮০ 

খ) ৭১৬

গ) ৩৭১৫

ঘ)৪৭১১

উ:ক

৯.বাংলাদেশের সাথে কোন কোন দেশের সীমানা রয়েছে?

(ক) ভারত,পাকিস্তান

খ) ভারত, শ্রীলঙ্কা

গ) ভারত, মায়ানমার

ঘ) মায়ারমার, পাকিস্তান

উ:গ

১০. বাংলাদেশে টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল? 

ক)১৪

খ)১৬

গ)১২

ঘ)১৮

উ:গ

১১. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?

(ক) কেওক্রাডং

খ) মোদকমুয়াল

গ) পিরামিড

ঘ) তাজিনডং

উ:ঘ

১২. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে রয়েছে?

ক) দক্ষিণ-পশ্চিম

খ)উত্তর-পশ্চিম

গ) দক্ষিণ-পূর্ব

ঘ)পশ্চিমাংশে

উ:গ

১৩. তাজিনডং এর উচ্চতা কত মিটার?

ক.১২৩০

খ)১২৮০

গ)১২৩২

ঘ)১২৩৩

উ:খ

১৪. বাংলাদেশে দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ের গড় উচ্চতা কত?

ক) ৩০ মিটার 

খ) ২৪৪ মিটার 

গ)৪০ মিটার

ঘ) ৬১০ মিটার

উ:ঘ 

১৫. রংপুর ও দিনাজপুরের অধিকাংশ স্থান কোন ধরনের ভূমিরূপ?

ক) ব-দ্বীপ

খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি

গ)পলল কোণ

ঘ) প্লাবন সমভূমি

উ:খ

১৬. ভাওয়ালের গড় কোন জেলায় অবস্থিত? 

ক)ঢাকা 

খ) সিলেট

গ) কুমিল্লা

ঘ) গাজীপুর

উ:ঘ

১৭. মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের মাটির বর্ণ কীরূপ?

ক) লালচে ও বাদামী

খ) লালচে ও ধূসর

গ) ধূসর ও লাল

(ঘ) বাদামী ও লাল

উ:খ

১৮. বরেন্দ্র ভূমির মাটির রং কেমন?

ক ধূসর

খ) লাল ও কালো

গ) কালো

ঘ) ধূসর ও লাল

উ:ঘ

১৯. লালমাই পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?

ক)গাজীপুর

খ)টাঙ্গাইল

গ) ময়মনসিংহ

ঘ) কুমিল্লা 

উ:ঘ

 ২০. গঙ্গা নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে? 

 ক) রাজশাহী 

খ) কুষ্টিয়া 

গ)নাটোর

ঘ)টাঙ্গাইল

উ:খ

 ২১. গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে? 

ক) কর্ণফুলী

খ) সুরমা

গ )পদ্মা

ঘ)ব্রহ্মপুত্র 

উ:গ

২২. কোন নদী উৎপত্তিস্থলে বরাক নামে পরিচিত?

ক) যমুনা 

খ) ব্ৰহ্মপুত্ৰ

 গ) মেঘনা 

ঘ)কর্ণফুলি

উ:গ

 ২৩. বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী কোনটি? 

 ক কর্ণফুলী 

খ) ফেনী

গ) পদ্মা

ঘ) আত্রাই

উ:ক

২৪. বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন হওয়ার কারণ কী? 

ক) মৌসুমি বায়ুর প্রভাব

খ) শীতল বায়ুর প্রভাব

গ) উষ্ণ বায়ুর প্রভাব

ঘ) সমুদ্র বায়ুর প্রভাব

উ:ক

২৫. সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু কী নামে পরিচিত?

ক) মৌসুমি

খ)ক্রান্তীয় মৌসুমি

গ) ক্রান্তীয় জলবায়ু

ঘ) মেরুদেশীয়

উ:গ

২৬. কোন ঋতুতে সূর্য বাংলাদেশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়? 

ক) গ্রীষ্ম 

খ) শীত

(গ) বসন্ত

ঘ) হেমন্ত

উ:ক

২৭. বাংলাদেশের সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হলো- 

ক) বর্ষাকাল

খ) শরৎকাল

গ) গ্রীষ্মকাল

ঘ) বসন্তকাল

উ:গ

২৮. কালবৈশাখী ঝড় কোন মাসে?

ক) মার্চ-এপ্রিল

খ)জুলাই-অগাস্ট

গ)মে-জুন 

ঘ) ফেব্রুয়ারী-মার্চ

উ:ক

২৯. বর্ষাকালে বাংলাদেশে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত বেশি হয়ে থাকে?

ক) পরিচলন

খ) ঘূর্ণিবৃষ্টি

গ) শৈলোৎক্ষেপ

ঘ) বায়ু প্রাচীরজনিত

উ:গ

৩০. বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি?

ক) নভেম্বর 

খ) ডিসেম্বর 

গ) জানুয়ারি 

ঘ)ফেব্রুয়ারি

উ:গ

৩১. কোন সময়ের বৃষ্টিপাত ধান,ও আখ চাষের জন্য বিশেষ পাট উপযোগী? 

 ক) গ্রীষ্মকাল

 খ) বর্ষাকাল

 গ)গ শীতকাল 

 ঘ)বসন্তকাল

 উ:ক

৩২. বাংলাদেশের পূর্বে ভারতের —

i. ত্রিপুরা রাজ্য

ii. মেঘালয় রাজ্য

iii. মিজোরাম রাজ্য

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

 খ) ii ও iii

 গ)i ও iii

 ঘ)i,iiও iii

 উ:গ

৩৩. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান —

i. বরেন্দ্রভূমি

ii. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়

iii. লালমাই পাহাড়

 নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

 খ) ii ও iii

 গ)i ও iii

 ঘ)i,iiও iii

 উ:ঘ

৩৪. নদীর নাব্যতা হ্রাসের কারণ হলো—

i. নদীর স্রোতের গতি হ্রাস

ii. পলি সঞ্চিত হওয়ায়

iii. নদীতে চর সৃষ্টি হওয়ায়

 নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

 খ) ii ও iii

 গ)i ও iii

 ঘ)i,iiও iii

 উ:ঘ

সৃজনশীল প্রশ্ন 

সৃজনশীল রচনামূলক
ঋতু
A
B         pic hoba
C
তাপমাত্রা গড় তাপমাত্রা
২৮° সেলসিয়াস
২৭° সেলসিয়াস
১৭.৭o সেলসিয়াস
ক. বাংলাদেশের উপর দিয়ে কোন রেখা অতিক্রম করেছে? 
খ. সমভূমিতে ঘন বসতি গড়ে উঠে কেন? ব্যাখ্যা করো। 
গ. ছকে বর্ণিত 'A' ঋতুর বায়ুপ্রবাহের বর্ণনা দাও।
ঘ. ছকে বর্ণিত ‘B’ ও ‘C' ঋতুর মধ্যে কোন ঋতুতে অধিক বৃষ্টিপাত · সংঘটিত হয়ে থাকে? বিশ্লেষণ করো।
২.
A নদী : হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি।
B নদী : হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের কাছে মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি।
C নদী : আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি।
 ক. টিলা কাকে বলে ?
খ. স্থায়ী বসবাসের জন্য সমভূমি আদর্শ কেন?
গ. 'A' নদীটির নাম উল্লেখ করে এর গতিপথ বর্ণনা করো।
ঘ. 'B' ও 'C' কোন দুটি নদীকে নির্দেশ করে? নদীদ্বয়ের মধ্যে কোনটি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে অধিক ভূমিকা রাখে? যুক্তিসহ মতামত দাও ।
৩.
অঞ্চল
বৈশিষ্ট্য                           pic hoba
A------উচ্চতা (৬-১২) মিটার, ২১ মিটার
B------উচ্চতা ৬১০ মিটার, ২৪৪ মিটার
C------মোট আয়তন ১,২৪,২৬৬, বর্গ কিলোমিটার
ক. শক্তির অন্যতম উৎস কোনটি?
খ. শস্য বহুমূখীকরণ বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো ।
গ. ছকে 'B' অঞ্চলটির ভূপ্রকৃতি কোন শ্রেণিভুক্ত? ব্যাখ্যা কর ।
ঘ. ছকে A ও C নং অঞ্চলের কোনটিকে অধিক ফসল উৎপাদন সম্ভব? বিশ্লেষণ কর ।
৪. দৃশ্যকল্প-১: 'A' স্থানে যখন সকাল ৬টা তখন 'B' স্থানে বেলা ১২ টা। 'A' স্থানের দ্রাঘিমা ৯২° পূর্ব।
দৃশ্যকল্প-২: জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ফয়সাল তার অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বন্ধু সেলিমকে বললো, “দেশে ভীষণ বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং আরো মাসখানিক একই ঋতু স্থায়ী হবে”। 
সেলিম বলল, “এখানে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করছে এবং দিনের দৈর্ঘ্যও কম ।
ক. নিরক্ষরেখা কী?
খ. কোন যন্ত্রের সাহায্যে উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
গ. 'B' স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করো।
ঘ. দৃশ্যকল্প-২ এ দৃশ্যমান ঋতুদ্বয় চিহ্নিতপূর্বক তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনেট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url