অর্থায়ন ও ব্যবসায় অর্থায়ন

 অধ্যায় ১: অর্থায়ন ও ব্যবসায় অর্থায়ন সাজেশন

আমাদের  ওয়েবসাইট “অর্ডিনেট আইটি.কম” ও  চ্যানেল ”অর্ডিনেট ক্লাসরুম  ”আপনাদের  স্বাগতম । 
আমরা একটি ভিন্ন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখি। আমরা অধিক চিন্তাশীল প্রজন্ম গড়তে চাই, আলাদা মানুষ যাদের আগে চিন্তা করার অভ্যাস থাকবে। আমরা মানুষ কেন? কারণ আমরা চিন্তা করি, এবং সেই চিন্তাকে মুক্তচিন্তা হতে হবে। আর মুখস্থ করে আর যা ই হোক, বিজ্ঞান শিক্ষা হতে পারে না। আর সেই প্রচেষ্টারই অংশ হল আমাদের কনটেন্ট ও ভিডিও লেকচার। এই কনটেন্ট ও  ভিডিওগুলির উদ্দেশ্য হল প্রতিটি বিষয় এমনভাবে শেখানোর চেষ্টা করা যাতে আপনি বইয়ের বাইরেও অনেক কিছু ভাবতে পারেন। আর আপনি যখন চিন্তাশীল মানুষ হবেন, তখন আপনি নিজেই বুঝবেন এই দেশকে আলাদা করতে আমাদের কী করতে হবে, কতদূর যেতে হবে।



ফিনান্স এবং ব্যাংকিংসাজেশন

পেজ সূচিপত্র :অধ্যায় ১: অর্থায়ন ও ব্যবসায় অর্থায়ন

তথ্যকণিকা(Information)

এখানে অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ একনজরে দেখার জন্য দেওয়া হয়েছে।

  • ১. ব্যবসায়ের মূল চালিকাশক্তি – অর্থায়ন।
  • ২. অর্থায়নের বিষয়বস্তু হলো- অর্থ সংগ্রহ ও বিনিয়োগ।
  • ৩. একটি পরিবারের আয়ের উৎস হতে পারে- চাকরি।
  • ৪. সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য— সমাজকল্যাণ নিশ্চিতকরণ।
  • ৫. রাসায়নিক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয় BCIC সংস্থার অধীনে। 
  • ৬. সরকারের ঋণ গ্রহণের উৎস হলো— Asian Development Bank | 
  • ৭. বিশ্ব ব্যাংক জড়িত রয়েছে— সরকারি অর্থায়নের সাথে। 
  • ৮. বাণিজ্য ঘাটতি দেখা যায় আন্তর্জাতিক অর্থায়নে।
  • ৯. বাণিজ্য ঘাটতি পুরণে বিশেষ ভূমিকা রাখে- রেমিটেন্স।
  • ১০. এতিমখানা, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ইত্যাদি অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভূক্ত। 
  • ১১. অর্থায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরন— ব্যবসায় অর্থায়ন বা বিজনেস ফাইন্যান্স । 
  • ১২. জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে— উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ । 
  • ১৩. অর্থায়নের নীতিমালা তারল্য বনাম মুনাফা নীতি; উপযুক্ততার নীতি; ব্যবসায়ের বৈচিত্র্যায়ন ও ঝুঁকি বণ্টন ।
  • ১৪. নগদ অর্থ ও মুনাফার মধ্যে রয়েছে— বিপরীতমুখী সম্পর্ক। 
  • ১৫. চলতি মূলধনের অন্ত- কাঁচামাল, মজুরি প্রদান ইত্যাদি। 
  • ১৬. তহবিল সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে বলা হয়— আয় সিদ্ধান্ত
  • ১৭. দর্জি দোকানের জন্য মেশিন কেনা হলো— ব্যয় বা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত । 
  • ১৮. আর্থিক ব্যবস্থাপকের ব্যয় সিদ্ধান্ত হলো— সম্পদ ক্রয় সিদ্ধান্ত। 
  • ১৯. ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য মেশিন ব্রুয় একটি ব্যয় সিদ্ধান্ত। 
  • ২০. শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়- সপ্তদশ শতাব্দীতে।
  • ২১. অর্থায়নের বিকাশের চারণভূমি — যুক্তরাষ্ট্র।
  • ২২. যুক্তরাষ্ট্রে চরম মন্দা শুরু হয়েছিল — ১৯৩০-এর দশকে।
  • ২৩. অর্থায়নের সনাতন ধারা (১৯৫০-এর দশক)— মুনাফা সর্বোচ্চকরণ। 
  • ২৪. আধুনিক অর্থায়নের কাজ (১৯৬০-এর দশক)— সম্পদ সর্বাধিকরণ। 
  • ২৫. WTO-এর পূর্ণরূপ- World Trade Organization।  

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর সাজেশন

ক নং প্রশ্ন (জ্ঞানমূলক) 

প্রশ্ন-১. অর্থায়ন কী? 

উত্তর: অর্থায়ন বলতে তহবিল সংগ্রহ ও এর ব্যবহার সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকে বোঝায় ।

প্রশ্ন-২. ব্যবসায়ের ব্যর্থতার দায় কাকে নিতে হয়?

উত্তর: ব্যবসায়ের ব্যর্থতার দায় অর্থ ব্যবস্থাপককে নিতে হয়। 

প্রশ্ন-৩. কখন আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা হয়?

উত্তর: ১৯৬০-এর দশকে আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা হয় । 

প্রশ্ন-৪. কম্পিউটার অধ্যায়ের শুরু হয় কোন দশকে?

উত্তর: কম্পিউটার অধ্যায়ের শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে।

প্রশ্ন-৫. কখন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা আত্মপ্রকাশ করে? 

উত্তর: ১৯৯০-এর দশকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা আত্মপ্রকাশ করে।

প্রশ্ন-৬. সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য কী?

উত্তর: সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য হলো সমাজকল্যাণ ।

প্রশ্ন-৭. IDB-এর পূর্ণরূপ কী? 

উত্তর: IDB-এর পূর্ণরূপ হলো Islamic Development Bank .

প্রশ্ন-৮. বাণিজ্য ঘাটতি কী?

উত্তর: দেশে রপ্তানি অপেক্ষা আমদানি বেশি হওয়ার কারণে সৃষ্ট ঘাটতিকে বাণিজ্য ঘাটতি বলা হয়।

প্রশ্ন-৯. জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে কোনটি? 

উত্তর: একটি সফল বিনিয়োগ জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে । 

প্রশ্ন-১০. পণ্য বৈচিত্র্যায়ণ কাকে বলে?

উত্তর: একই ব্যবসায়ে বিভিন্ন প্রকার পণ্য সমাহার ঘটিয়ে ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থাকেই পণ্য বৈচিত্র্যায়ণ বলা হয় ।

প্রশ্ন-১১. আয় সিদ্ধান্ত কী?

উত্তর: তহবিল সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আয় সিদ্ধান্ত বলে ।

প্রশ্ন-১২. আয় সিদ্ধান্তের অপর নাম কী?

উত্তর: আয় সিদ্ধান্তের অপর নাম অর্থায়ন সিদ্ধান্ত ।

প্রশ্ন-১৩. বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত কী?

উত্তর: প্রতিষ্ঠানের সংগ্রহ করা তহবিল কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হলো বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত ।

প্রশ্ন-১৪. চলতি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত কী?

উত্তর: চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনার জন্য যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাকে চলতি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বলে ।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর  

খ নং প্রশ্ন (অনুধাবনমূলক)

 প্রশ্ন-১. ব্যবসা-বাণিজ্যে WTO-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

 উত্তর: 'বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা WTO (World Trade Organization) একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।এটি বিশ্বের বাণিজ্যি সংক্রান্ত নীতি প্রবর্তন করে। সদস্য রাষ্ট্র বা পক্ষসমূহের মধ্যকার মত-পার্থক্য দূর করতেও সাহায্য করে। অর্থাৎ, ব্যবসা-বাণিজ্যে WTO-এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

প্রশ্ন-২. পারিবারিক অর্থায়নের প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: পরিবারের জন্য পরিকল্পনামাফিক অর্থের উৎস নির্ধারণ ও তার সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারিবারিক অর্থায়নের প্রয়োজন হয়।এ অর্থায়ন পরিবারের আয়ের সাথে সংগতি রেখে ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে। আয়ের থেকে ব্যয় বেশি হলে ঋণ গ্রহণ করা হয়। আবার, ব্যয় থেকে আয় বেশি হলে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করা হয়।পরিবারের আয় ও ব্যয়ের এই সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য পারিবারিক অর্থায়নের প্রয়োজন। 

প্রশ্ন-৩. সরকারি অর্থায়ন কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: সরকারের অর্থ ব্যবস্থাপনা বলতে কোন কোন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় হবে এবং সেই অর্থ কোন কোন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে তা নির্ধারণ করাকে বোঝায়।প্রতিটি সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন পরিকল্পনা আছে। সরকার প্রথমে ব্যয়ের খাত ও পরিমাণ নির্ধারণ করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করে। আয়কর, মূল্য সংযোজন কর, শুল্ক ইত্যাদি সরকারের তহবিলের উৎস। উক্ত অর্থ দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাত; যেমন: রাস্তাঘাট, সেতু, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা ইত্যাদিতে ব্যয় করা হয়।

প্রশ্ন-৪. কোন ধরনের অর্থায়ন অলাভজনক? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: নাগরিকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারি অর্থায়ন করা হয় বলে এটি অলাভজনক। রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সরকার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান, সংরক্ষণ ও বন্টন সংক্রান্ত কার্যাবলি হচ্ছে সরকারি অর্থায়ন। অর্থাৎ, দেশের নাগরিকগণই এ অর্থায়নের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। সরকারি অর্থায়নের মূল উৎস রাজস্ব আয়,মূল্য সংযোজন কর ইত্যাদি। আর এসব আয় সরকার জনগণ হতে সংগ্রহ করায় এবং তা জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যবহার করায় সরকারি অর্থায়ন অলাভজনক। 

প্রশ্ন-৫. অব্যবসায়ী অর্থায়নের উদ্দেশ্য কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: অব্যবসায়ী অর্থায়নের মূল উদ্দেশ্য জনকল্যাণ । অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো মানবকল্যাণে দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের সেবায় কাজ করে। মুনাফা অর্জন এদের উদ্দেশ্য নয়। সমাজের বিভিন্ন ধনাঢ্য মানুষের অনুদান বা চাঁদায় এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়।

প্রশ্ন-৬. অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: যেসব প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং জনকল্যাণ সেসব প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নকে অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন বলা হয়। 'অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের ক্ষেত্রে প্রথমে অর্থায়নের উৎস চিহ্নিত করা হয়। এরপর বিভিন্ন অনুদানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত অর্থ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় ব্যয় করা হয়। 

প্রশ্ন-৭. তারল্য বনাম মুনাফা নীতিটি ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: তারল্য ও মুনাফার মধ্যে উপযুক্ত ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি হলো তারল্য বনাম মুনাফার নীতি। ব্যবসায়ে বেশি পরিমাণ নগদ অর্থ (তারল্য) সংরক্ষণ করলে প্রতিষ্ঠানের আয় কমে যায় । আবার নগদ অর্থ কম সংরক্ষণ করে তা বিনিয়োগ করলে ব্যবসায়ের প্রতিদিনের খরচ পরিশোধে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে তারল্য ও মুনাফার নীতিটি কাম্য মুনাফা ও বিনিয়োগের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।

প্রশ্ন-৮.উপযুক্ততার নীতি বলতে কী বোঝায়? উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর: উপযুক্ততার নীতি বলতে স্বল্পমেয়াদি উৎস থেকে চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে স্থায়ী মূলধন সংগ্রহের নীতিকে বোঝায়। এ নীতি অনুসারে ব্যবসায়ের নিয়মিত ব্যয়সমূহ স্বল্পমেয়াদি উৎস হতে সংগ্রহ করা হয় এবং বিভিন্ন স্থায়ী ব্যয় (মেশিন ক্রয়, দালানকোঠা নির্মাণ প্রভৃতি) ব্যয়ের জন্য দীর্ঘমেয়াদি উৎস ব্যবহার করা হয়। সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিনিয়োগ ব্যাংক, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এ দীর্ঘমেয়াদি অর্থ দেয়। ব্যবসায়ের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহে যদি দীর্ঘমেয়াদি উৎস ব্যবহার করা হলে প্রতিষ্ঠানের দায় বেড়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া ঘোষিত হতে পারে। তাই প্রতিষ্ঠান মূলধন সংগ্রহের ক্ষেত্রে উপযুক্ততার নীতি অনুসরণ করে।

প্রশ্ন-৯. বৈচিত্ৰ্যায়ণের নীতিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ব্যবসায়ী বা বিনিয়োগকারী তার সব অর্থ একটি সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক সম্পদে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে সার্বিক বিনিয়োগ ঝুঁকি কমানোর উপায়কে বৈচিত্ৰ্যায়ণ নীতি বলে।বৈচিত্রায়ণ নীতি দ্বারা একজন বিনিয়োগকারী সর্বদা বিপরীতধর্মী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করবে, যা দ্বারা একটি বিনিয়োগ সম্পূর্ণ ঝুঁকিগ্রস্ত হলেও বিপরীতধর্মী বিনিয়োগটি সর্বোচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীর মোট বিনিয়োগের ঝুঁকি কমে এবং একটি আদর্শ হারে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা অর্জিত হয় ।

প্রশ্ন-১০.অর্থায়ন সিদ্ধান্ত কীভাবে নিতে হয়?

উত্তর: তহবিল সংগ্রহের বিভিন্ন উৎসের সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করে অর্থায়ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থায়ন সিদ্ধান্ত বলতে একটি প্রতিষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহের সিদ্ধান্তকে বোঝায়। সাধারণত ৫ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য অর্থের প্রয়োজনে কোম্পানি দীর্ঘমেয়াদি উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। আবার ১ বছরের কম সময়ের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি উৎস ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও মালিকপক্ষ নিজ থেকে অর্থ সরবরাহ বা শেয়ার বিক্রয় করে অর্থ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিতে পারে ।

প্রশ্ন-১১. ব্যয় সিদ্ধান্তের অপর নাম কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ব্যয় সিদ্ধান্তের অপর নাম বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। প্রতিষ্ঠানের সংগৃহীত তহবিল কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে সে সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণই হলো বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ব্যয় নির্বাহ অর্থাৎ মেশিন ও আসবাবপত্র ক্রয়, কারখানা নির্মাণ খরচ প্রভৃতি ব্যয় সিদ্ধান্ত বা বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের অন্তর্ভুক্ত। যেমন: একটি মুদি দোকানের জন্য রেফ্রিজারেটর ক্রয় সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত হলো একটি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১.অর্থায়ন ব্যবসায়ের কী?

ক)  ভাষা

খ) মূল চালিকা শক্তি

গ)  প্রাণ

ঘ) স্পন্দন

উ:খ

২.তহবিল সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে মূলত কী বলে?

ক)  ব্যয় সিদ্ধান্ত

খ) বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত

গ)  আয় সিদ্ধান্ত

ঘ) তারল্য সিদ্ধান্ত

উ:গ

৩.অর্থায়ন বিকাশের মূল চারণভূমি কোনটি?

ক)  যুক্তরাষ্ট্র 

খ)  যুক্তরাজ্য 

গ) জাপান

ঘ) অস্ট্রেলিয়া 

উ:ক

৪. কোন দশকে অর্থায়ন অঙ্ক নির্ভর হয়ে ওঠে? 

ক) ১৯৬০

খ) ১৯৪০ 

গ)  ১৯৫০ 

ঘ) ১৯৭০

উ:ঘ

৫.কম্পিউটার অধ্যায়ের সূচনা হয় কোন দশকে?

ক) ১৯৪০

খ) ১৯৭০

গ)  ১৯৫০

ঘ) ১৯৬০

উ:খ

৬. কোন দশকে WTO আত্মপ্রকাশ করে?

ক)  ১৯৬০

খ) ১৯৭০

গ)  ১৯৮০

ঘ) ১৯৯০

উ:ঘ

৭. যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর মধ্যে একত্রীকরণের প্রবণতা শুরু হয় কত সালে? 

ক) ১৯৩০

খ) ১৯৪০

গ) ১৯৬০ 

ঘ) ১৯৯০ 

উ:ক

৮. আর্থিক ব্যবস্থাপকরা কয় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করে?

ক) ২ ধরনের 

খ)  ৩ ধরনের 

গ)  ৪ ধরনের 

ঘ)  ৫ ধরনের 

উ:ক

৯. কোন ধরনের অর্থায়নে প্রথমে ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহ করা হয়?

ক) পারিবারিক 

খ) ব্যবসায় 

গ) আন্তর্জাতিক

ঘ) সরকারি- 

উ:ঘ

১০. কোন ধরনের অর্থায়নে বাণিজ্য ঘাটতি দেখা যায়?

ক) আন্তর্জাতিক অর্থায়ন 

খ) সরকারি অর্থায়

গ) ব্যবসায় অর্থায়ন

ঘ) ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

উ:ক

১১. বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে নিচের কোনটি ভূমিকা রাখে? 

ক) আমদানি

খ)  রপ্তানি

গ) রেমিটেন্স

ঘ) বিনিয়োগ

উ:গ

১২. ব্যবসায় অর্থায়নের নীতি অনুসারে কোন দুটির মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান?

ক) নগদ অর্থ ও মুনাফ

খ)  নগদ অর্থ ও চেক

গ) নগদ অর্থ ও ক্ষতি

ঘ) মূলধন ও মুনাফা

উ:ক

১৩. বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়ে শ্রমিকের মজুরি প্রদান করা হলে অর্থায়নের কোন নীতিটি অনুসৃত হয়।

ক) উপযুক্ততার নীতি

খ) বৈচিত্ৰ্যায়ন নীতি

গ)  তারল্য নীতি

ঘ)  মুনাফার নীতি

উ:ক

১৪. ব্যবসায়ের ঝুঁকি হ্রাসে অর্থায়নের কোন নীতিটি গ্রহণযোগ্য?

ক)  তারল্য বনাম মুনাফা নীতি

খ) সউপযুক্ততার নীতি

গ) বৈচিত্ৰ্যায়ন নীতি

ঘ) তহবিল সংগ্রহ নীতি

উ:খ

১৫. তহবিল সংগ্রহকৃত প্রক্রিয়াকে কী বলে? 

ক)  ব্যয় সিদ্ধান্ত

খ) বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত

গ) আয় সিদ্ধান্ত

ঘ) সবগুলো

উ:গ

১৬. দেশের উন্নয়নে যেসব প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ গ্রহণ করা হয়— 

i. ADB

ii. IDB

iii. WORLD BANK

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও  ii

খ) i ও iii

গ) ii ও  iii

ঘ) i ii ও  iii

উ:ঘ

উদ্দীপকটি পড়ো এবং ১৭ নং প্রশ্নের উত্তর দাও:

জনাব সৃজন পোশাক তৈরির কারখানা চালু করতে চান। এজন্য তিনি একটি মেশিন ক্রয় করেন। মেশিনটি থেকে আগামী আট বছর পণ্য উৎপাদন করা যাবে বলে মনে করা হয়।

১৭. জনাব সৃজন মেশিন ক্রয় কোন ধরনের সিদ্ধান্ত?

ক)  বিনিয়োগ

খ) ব্যবস্থাপনা

গ) অর্থায়ন

ঘ) আয়

উ:ক

সৃজনশীল প্রশ্ন

১.মিজান সাহেব ও তার দুইজন বন্ধু মিলে একটি ব্যবসায় পরিচালনা করেন। তাদের ব্যবসায়ে অর্থ সংকট দেখা দেয়। তখন তারা নিজ তহবিল ও ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসায় পরিচালনা করেন। ব্যবসায়ের লাভ-ক্ষতি তারা সমানভাবে

 বণ্টন করেন। কিন্তু মূলধনের যথাযথ ব্যবহার না করার ফলে ব্যবসায়টি তেমন লাভজনক হচ্ছে না এবং ঋণের সুদ পরিশোধ করতে পারছে না।

ক.পারিবারিক অর্থায়ন কী?

খ. আয় সিদ্ধান্ত বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো। 

গ.উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যাবলি কোন ধরনের অর্থায়ন? ব্যাখ্যা করো। 

ঘ.মিজান সাহেব ও তার বন্ধুরা কোন নীতিটি অনুসরণ করলে সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারতেন? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো। 

২.জনাব শফিক সাহেব একজন নিঃস্বার্থ সমাজসেবক। তিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরে চাকরি করতেন। তিনি অবসরের পর পেনশনের টাকা দিয়ে এতিম  শিশুদের জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। বিনামূল্যে শিশুদের খাওয়া, পোশাক ও পড়ালেখার ব্যবস্থা করতে গিয়ে আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হন। অর্থসংস্থানের জন্য তিনি বিভিন্ন উৎসের আশ্রয় নেন। ফলে তার প্রতিষ্ঠানটি সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ক. কাঁচামাল ক্রয়ের জন্য কোন ধরনের মূলধনের প্রয়োজন?

খ. ব্যয় সিদ্ধান্ত কী? বুঝিয়ে লেখ ।

গ. জনাব শফিক সাহেব কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত? বর্ণনা করো । 

ঘ. উদ্দীপকের আলোকে জনাব শফিক সাহেব কীভাবে স্কুলের অর্থায়ন করবেন? বিশ্লেষণ করো।

৩. জনাব অপু নিজেকে স্বাবলম্বী করার জন্য একটি পোলট্রি খামার করার পরিকল্পনা করেছে। তার নিকট পর্যাপ্ত মূলধন না থাকায় নিজের জমানো কিছু টাকা ও ব্যাংক হতে ঋণ নিয়ে নিজের জমিতে খামারের জন্য অবকাঠামো করার উদ্যোগ নিল। পরবর্তীতে, ব্যবসার জন্য মুরগির খাবার কেনা, বৈদ্যুতিক বিলসহ খামার পরিচালনার জন্য অর্থ সংকটে পরলে তিনি পুনরায় ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন ।

ক. PPP-এর পূর্ণরূপ কী?

খ. ব্যয় সিদ্ধান্ত কী? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের জনাব অপুর কাজটি কোন ধরনের অর্থায়ন? ব্যাখ্যা করো। 

ঘ. উদ্দীপকে অর্থায়নের কোন নীতির আলোকে জনাব অপুর পুনরায় ব্যাংক হতে ঋণ নেওয়ার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

৪. মি. সজিব সম্প্রতি বিদেশ থেকে এসেছেন। তিনি প্রচুর মূলধন নিয়ে তার এলাকায় একটি লাইব্রেরির দোকান খোলেন। ভূমি, আসবাবপত্র, দোকানের সাজসজ্জার জন্য তিনি ব্যাংক থেকে ১০ বছর মেয়াদি ঋণ নেন।

 প্রথমদিকে মুনাফা কম হলেও পরবর্তীতে প্রচুর মুনাফা অর্জন করতে থাকেন ।

ক. আধুনিক অর্থায়নের যাত্রা হয় কোন দশকে? 

খ. ব্যবসায় অর্থায়নের মূল কাজটি ব্যাখ্যা করো।

গ. ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার জন্য মি. সজিব কোন নীতি অনুসরণ করেছেন  বর্ণনা করো।

ঘ. মি. সজিবের ব্যবসায়ে প্রচুর মুনাফা হওয়ার কারণ যুক্তিসহকারে বিশ্লেষণ। করো।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনেট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url